বাংলাদেশী CDC (Continuous Discharge Certificate) হলো একজন নাবিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র। প্রত্যেক মার্চেন্ট শীপে চাকরি করা লোকের একটা নির্দিষ্ট নাবিক বহি থাকতে হয়। তেমনি বাংলাদেশ সরকার আমাদের দেশের মেরিনাদের এই সিডিসি এর সুবিধা রেখেছে। আজকের কথা বলবো কিভাবে বাংলাদেশী CDC কিভাবে পাওয়া যায় ? চলুন মূল আলোচনায়। আপনি যদি মার্চেন্ট শিপ, কার্গো জাহাজ, ট্যাংকার, কন্টেইনার শিপ বা বিদেশগামী বাণিজ্যিক জাহাজে চাকরি করতে চান, তাহলে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত CDC থাকা বাধ্যতামূলক।
বাংলাদেশে সাধারণত বৈধভাবে ২ ভাবে আপনি bd cdc পেতে পারেন। নিচে তুলে ধরা হলো:
০১. মেরিন একাডেমি থেকে Seafarer Courses করে অথবা ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট (NMI) থেকে Pre sea Rating course করে। এবং মেরিন ফিশারিজ একাডেমির MFA থেকে ক্যাডেট কোর্স করে।
০২. COC সার্টিফিকেট অর্জন কারী নাবিক।
এবার আপনাদের উপরের কোর্স গুলো নিয়ে বিস্তারিত বলবো। কিভাবে কোথায় করবেন? অথবা কত টাকা খরচ হবে।
Seafarer coruse
বাংলাদেশেও অন্যান্য দেশের মতো Seafarer coruse হলো নাবিকদের সর্বোচ্চ মযার্দার কোর্স । ৩ বছর মেয়াদি এই কোর্স বিএসসি (অনার্স) এর মান দেওয়া হয়। কোর্সগুলো হলো:
০১. বিএমএস নটিক্যাল সাইন্স (ডেক অফিসার হওয়ার জন্য)
০২. বিএসসি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং।
আরো পড়ুন CDC কি মেরিন সিডিসি কিভাবে দেয়
নৌপরিবহন অধিদপ্তর (Department of Shipping) মেরিন একাডেমির ভর্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি বর্তমানে দেশে ৫ টা আছে। মূল চট্টগ্রামে। এছাড়া পাবনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুরে আছে। অফিসার/ ইঞ্জিনিয়ার পদের জন্য এখানে ভর্তি হতে HSC তে বিজ্ঞান বিভাগ ও পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিতে ভালো মার্ক থাকতে হবে। পড়াশোনা বাবদ খরচ প্রায় ৪ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। বেসরকারিতে পড়লে তা বেড়ে হবে ৮ লক্ষ থেকে ১৪ লক্ষ টাকা। নিচে বেসরকারি কিছু প্রতিষ্ঠানে তালিকা দেওয়া হলো যেখানে Seafarer coruse করতে পারবেন।
- ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম একাডেমি (IMA), ঢাকা।
- মাস মেরিন একাডেমি (MAS Marine Academy), চট্টগ্রাম।
- ওশান মেরিটাইম একাডেমি (OMA), চট্টগ্রাম।
- বাংলাদেশ মেরিটাইম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (BMTI), ঢাকা
প্রি সী রেটিং প্রশিক্ষণ
এটি হলো সরাসরি CDC পাওয়ার একটি মাধ্যম। আপনাকে প্রি সী রেটিং প্রশিক্ষণ দেয় এরকম প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে ৬ মাস মেয়াদি বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হতে হবে। এই কোর্স সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও করিয়ে থাকে। বাংলাদেশে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান আছে। নিচে দেওয়া হলো
০১. ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট (NMI), চট্টগ্রাম।
০২. ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট (NMI), মাদারীপুর।
প্রতিবছর শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন দুটি ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নির্বাচিত হলেই তবে এখানে Pre Sea Rating Course করা যাবে। মনে রাখা উচিত ভর্তি যোগ্যতা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে SSC তে পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিত সহ ২.৫ জিপিএ থাকতে হবে। বিভিন্ন বিভাগ থাকবে যেমন:
আরো পড়ুন:
- সেকেন্ড ক্লাস মাস্টার পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর
- ২য় শ্রেণির মাস্টারশীপ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান সহ
- দ্বিতীয় শ্রেনির মাস্টারশীপ পরীক্ষার প্রশ্ন
- ইনল্যান্ড ড্রাইভার পরীক্ষার বই সমূহ
- জাহাজের মাস্টার পরীক্ষার বই কোনটি ভালো
১. ডেক রেটিং (Deck Rating)
২. ইঞ্জিন রেটিং (Engine Rating)
৩. ক্যাটারিং/স্টুয়ার্ড রেটিং (Catering/Saloon Rating)
০৪. Fitter cum Welder
০৫. Electrician
উল্লেখ্য, ডেক ও ইঞ্জিন রেটিং এর বয়স এর সীমা থাকলেও অন্য পদ গুলোতে বয়স ২১ এর বেশি হলেও সমস্যা নেই।
পড়াশোনার খরচ
৬ মাসের এই কোর্সে সরকারি প্রতিষ্ঠানে ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। অপরদিকে একই কোর্স বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে করলে ১ লক্ষ ৫০ হাজার থেকে ৩ লক্ষ টাকা পযন্ত খরচ হতে পারে। নিচে বেসরকারি কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া হলো।
- MAS Marine Academy
- International Maritime Academy (IMA)
- Bangladesh Maritime Training Institute (BMTI)
- International Maritime Training Academy (IMTA)
মেরিন ফিশারিজ একাডেমির MFA
বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের কোর্স শেষে CDC প্রদান করা হয়। নটিক্যাল সাইন্স ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এই দুটি বিভাগের ক্যাডেটরা পাস করার পর সরাসরি মার্চেন্ট শিপের সিডিসি পান।
এখানে প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষা হয়। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে HSC পাস করলে ভর্তি হওয়া যাবে। তবে এখানে ৩ বছর মেয়াদি পড়াশোনায় প্রায় ৪ লক্ষ টাকার মতো খরচ হয়। এদের সার্টিফিকেট এর মান স্নাতক।
certificate of competency (coc)
এটা হলো BD CDC পাওয়ার দ্বিতীয় ধাপ। আপনারা যাদের ক্যাডেট কোর্স ও রেটিং কোর্স করার বয়স নেই বা অন্য কোনো কারণে করতে পারছেন না তাদের জন্য এই অপশন। বিভিন্ন দেশীয় IMO ভেসেলে ক্র হিসেবে নির্দিষ্ট সময় কাজের পর জেনারেল থেকে বিজ্ঞান বিভাগ HSC/SSC সাথে গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে ভালো মার্ক থাকলে তারা COC অর্জন করতে পারবেন। যারা কেবল certificate of competency class 5/ certificate of competency class 4 দিবেন শুধু তাদের SSC পরীক্ষায় অপশনাল বিষয় কৃষিশিক্ষা হলেও সমস্যা নেই। তবে পরবর্তী ধাপে আর দিতে পারবেন না।
কম্পিটেন্সি সার্টিফিকেট অর্জনে যা লাগবে
এর জন্য আপনাকে ৩ মাসের একটি কোর্স করতে হবে। সাথে আরো কিছু কোর্স ও করতে হয়। নিচে তুলে ধরা হলো:
০১. প্রিপারেটরি কোর্স (Preparatory Course) কোর্স
০২. বেসিক সেফটি কোর্স (Basic Safety / COP)/বেসিক ৬
০৩. মেডিকেল ফিটনেস ও চোখের পরীক্ষা
উপরের সব গুলো সার্টিফিকেট অর্জন করতে আপনার ৬ মাসের মতো সময় লাগবে। এবং প্রায়
প্রিপারেটরি কোর্স ৩৫ হাজার টাকা, বেসিক সেফটি কোর্স ১৪ হাজার টাকা, মেডিকেল ফিটনেস ও চোখের পরীক্ষা ১০ থেকে ১৫ হাজার ও অন্যান্য মিলিয়ে মোট ৬৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। সব কিছু রেডি করে ডিজি শিপিং এ আপনি পরীক্ষার জন্য আবেদন করবেন। এবং প্রতি বছর ৪ মাস পরপর পরীক্ষা দিয়ে ১ টি করে সাবজেক্টে মোট ৪ সাবজেক্টে পাস করে পরে মৌখিক পরীক্ষার পর সিওসি অর্জন করতে পারবেন। প্রিপারেটরি কোর্স (Preparatory Course) কোর্স করা যাবে এরকম কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম তুলে ধরা হলো:
- ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম একাডেমি (IMA), ঢাকা।
- মাস মেরিন একাডেমি (MAS Marine Academy), চট্টগ্রাম।
- ওশান মেরিটাইম একাডেমি (OMA), চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশ মেরিটাইম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (BMTI),
বাংলাদেশী CDC পাওয়ার জন্য কি কি করতে হবে
বৈধভাবে বাংলাদেশী সিডিসি পেতে হলে মূল কাজ গুলো আগেই বলেছি। এখন বলবো পরবর্তী ধাপ। আরো যেসকল কাজ করতে হবে। সেটা ধাপে ধাপে বলবো।
ধাপ ১: পাসপোর্ট তৈরি করতে হবে
প্রথমেই একটি বৈধ বাংলাদেশি ই-পাসপোর্ট থাকতে হবে।
ধাপ ২: সরকার অনুমোদিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে
০১. Seafarer Courses/ Pre sea Rating course/ মেরিন ফিশারিজ একাডেমির MFA থেকে ক্যাডেট কোর্স
০২. কম্পিটেন্সি সার্টিফিকেট
ধাপ ৩: Basic Safety Training (Basic 6) সম্পন্ন করতে হবে
সাধারণত নিচের STCW কোর্সগুলো সম্পন্ন করতে হয়—
- Personal Survival Techniques (PST)
- Fire Prevention and Fire Fighting (FPFF)
- Elementary First Aid (EFA)
- Personal Safety & Social Responsibilities (PSSR)
Security Awareness বা Designated Security Duties কোর্সও প্রয়োজন হতে পারে।
ধাপ ৪: মেডিকেল ফিটনেস
DG Shipping/Department of Shipping অনুমোদিত ডাক্তার দ্বারা মেডিকেল পরীক্ষা করতে হবে।
সাধারণত পরীক্ষা করা হয়—
- চোখ
- রঙ শনাক্তকরণ (Colour Vision)
- শ্রবণশক্তি
- রক্ত
- প্রস্রাব
- বুকের এক্স-রে
- ECG (প্রয়োজন হলে)
ধাপ ৫: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করুন
সাধারণত প্রয়োজন হয় যে কাগজপত্র গুলো দরকার হবে সব এক জায়গায় করা। নিচে মিলিয়ে নিন।
- আবেদনপত্র
- জাতীয় পরিচয়পত্র
- বৈধ পাসপোর্ট
- পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- Basic Safety Certificate
- মেডিকেল সার্টিফিকেট
- প্রশিক্ষণ সনদ
- স্কুল/কলেজ সার্টিফিকেট
প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য অতিরিক্ত নথি লাগতে পারে।
সিডিসি আবেদন
বাংলাদেশে CDC ইস্যু করে সরকারি শিপিং অফিস। যার মূল কেন্দ্র চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত। আপনি সব ডকুমেন্ট জমা করে তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে একটা একাউন্ট খুলে সব তথ্য দিন।

এবং সকল ডকুমেন্ট এর একসেট ফটোকপি সহ আবেদন কপিটা শিপিং অফিসে জমা দিতে হবে। এরপর যাচাই বাছাইয়ের পর আপনার সিডিসি ইস্যু হবে। আবেদন খরচ ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে। এভাবে বাংলাদেশী CDC কিভাবে পাওয়া যায় তা ভেবে দেখেছেন কি?
বাংলাদেশী CDC করার খরচ কত
খরচ সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণভাবে একজন নতুন রেটিংয়ের মোট ব্যয় প্রায় নিচের মতো হতে পারে
যদি ১ নং পদ্ধতি তে সিডিসি পেতে চান
| কোর্সের নাম | খরচ | মোট |
| বংলাদেশ মেরিন একাডেমি/বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ একাডেমি | ৪-৫ লক্ষ | |
| মেডিকেল /বেসিক কোর্স /পাসপোর্ট অন্যান্য | ২৫ হাজার | ৪-৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা |
| বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে Seafarer coruse | ৮-১৪ লক্ষ | |
| মেডিকেল /বেসিক কোর্স /পাসপোর্ট অন্যান্য | ৩০ হাজার | ৮-১৪ লক্ষ ৩০ হাজার |
যদি ২ নং পদ্ধতি তে সিডিসি পেতে চান
| কোর্সের নাম | খরচ | মোট |
| ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট (NMI), | ১-১.২৫ লক্ষ | |
| মেডিকেল /বেসিক কোর্স /পাসপোর্ট অন্যান্য | ২৫ হাজার | ১-১.৫০ লক্ষ |
| বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে | ১.৫০-৩ লক্ষ | |
| মেডিকেল /বেসিক কোর্স /পাসপোর্ট অন্যান্য | ২৫ হাজার | ১.৭৫-৩.২৫ লক্ষ |
সিওসি পরীক্ষায় পাস করে সিডিসি অর্জন
এর জন্য আগেই বলছি কি করতে হবে। এবং কত করচ পড়বে। প্রিপারেটরি কোর্স ৩৫ হাজার টাকা, বেসিক সেফটি কোর্স ১৪ হাজার টাকা, মেডিকেল ফিটনেস ও চোখের পরীক্ষা ১০ থেকে ১৫ হাজার ও অন্যান্য মিলিয়ে মোট ৬৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। এটার পর আপনি BD cDC এর জন্য আবেদন করলে যাচাই বাছাই করে আপনাকে সিডিসি দেওয়া হবে।
CDC পেতে কতদিন লাগে
সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলে সাধারণত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে CDC ইস্যু হতে পারে। তবে আবেদন যাচাই, নথিপত্র এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের কারণে সময় কম-বেশি হতে পারে।
বাংলাদেশী CDC-এর সুবিধা
বলা বাহুল্য BD CDC এর ভ্যালু কোন অংশে কম নয়। যে যেই দেশের নাগরিক ঐ দেশের সিডিসি থাকলে তাকে আলাদা ভাবে মূল্যায়ন করা হয়। এছাড়া আরো অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে।
- আন্তর্জাতিক জাহাজে চাকরির সুযোগ
- বিদেশে উচ্চ বেতনের কর্মসংস্থান
- Sea Service রেকর্ড সংরক্ষণ
- CoP ও CoC-এর জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি
- ভবিষ্যতে Officer পদে উন্নীত হওয়ার সুযোগ
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
- শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিন।
- দালালের মাধ্যমে CDC করার চেষ্টা করবেন না।
- সব সনদ ও কাগজপত্রের সত্যতা নিশ্চিত করুন।
- সরকারি ফি ও প্রক্রিয়া সময় সময় পরিবর্তিত হতে পারে; আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশনা দেখে নিন।
উপসংহার
বাংলাদেশী CDC হলো একজন পেশাদার নাবিকের ক্যারিয়ারের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিগুলোর একটি। আপনি যদি মার্চেন্ট নেভি বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে কাজ করতে চান, তাহলে সঠিক প্রশিক্ষণ, মেডিকেল পরীক্ষা এবং সরকারি নিয়ম মেনে CDC সংগ্রহ করতে হবে। সঠিক পরিকল্পনা ও অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন করলে ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশে ভালো বেতনের সামুদ্রিক চাকরির সুযোগ তৈরি হয়। আমাদের বাংলাদেশী CDC কিভাবে পাওয়া যায় লেখাটা ভালো লাগলে শেয়ার করুন।