বাংলাদেশে ইনল্যান্ড নাবিকদের জন্য “তৃতীয় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার” লাইসেন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। যারা লঞ্চ বা ছোট জাহাজে মাস্টার হতে চান, তাদের জন্য এই কোর্স ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। এই পোস্টে শুরু থেকে পরীক্ষা পাস পর্যন্ত পুরো প্রসেস সহজভাবে তুলে ধরা হলো। নাবিক জীবনের জাহাজ চালানোর প্রথম সার্টিফিকেট এই তৃতীয় শ্রেণীর মাষ্টার। আজকের পোষ্টে কিভাবে একজন নাবিক তৃতীয় শ্রেণীর মাস্টার হতে পারবে জাহাজের চাকরি করে তার সম্পূর্ণ গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করবো। তৃতীয় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার লেখাটা পড়ুন।
তৃতীয় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার কি?
তৃতীয় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার হলো এমন একটি সার্টিফিকেট, যার মাধ্যমে আপনি ছোট আকারের ইনল্যান্ড জাহাজ (লঞ্চ, কার্গো, কোস্টার) পরিচালনা করতে পারবেন। আরেকটু খোলাসা করে বলি ১৮৬ কিলোওয়াট ইঞ্জিন এর নিচের জাহাজ গুলো চালানোর জন্য যেই সার্টিফিকেট দরকার হয় সেটা হলো তৃতীয় শ্রেনীর মাস্টার সার্টিফিকেট। এরপর আস্তে আস্তে পরবর্তী পরীক্ষা দিয়ে ইনল্যান্ড মেরিন সেক্টরে আপনি উপরে উঠতে পারবেন। এটি নাবিকদের ক্যারিয়ারের প্রথম বড় ধাপ।
মাস্টার হতে হলে প্রথমে কি কি লাগবে
অনেকের প্রশ্ন আমি মেরিন সেক্টরের এই প্রথম ধাপটি কিভাবে পার করবো? তাদের জন্য সহজে ধারনা দিই। আপনি সবার প্রথমে সাধারণ নাবিক হিসেবে জাহাজে যোগযান করবেন। যাদের কে স্টাফ বলা হয়। এর সিনিয়রদের দ্বারা প্রমোশন পেয়ে সুকানি পদে আসতে হবে। সুকানি হলো যারা মাস্টারের সাথে থেকে জাহাজ চালায়। এভাবে আপনি একটি নিদিষ্ট সময় চাকরি করার পর প্রস্তুতি মূলক কোর্স, বেসিক সেফটি কোর্স করে ডিজি শিপিং এ পরীক্ষা দিয়ে পাস করলে আপনিও মাষ্টার হতে পারবেন।
এই কোর্স করতে কি কি যোগ্যতা লাগে
এবার আসি কোর্স প্রসঙ্গে। আপনি যদি একজন সাধারণ স্টাফ হন তাহলে তিন বছর স্টাফ ও দুই বছর সুকানি জব করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সুকানি হলে ২ বছর জব করতে হবে। এছাড়া যদি ডিইপিটিসির ক্যাডেট হন তাহলে ১ বছর চাকরির বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাকি গুলো পয়েন্ট আকারে তুলে ধরছি।
- ০১. কোম্পানির প্রত্যয়ন প্রত্র বা প্যাড (যত দিন কাজ করছেন তার লিখিত প্যাড)
- ০২. ICN নাম্বার ( ডিজি শিপিং এর নাবিক সিরিয়াল নাম্বার)
- ০৩. SSC/HSC সার্টিফিকেট।
- ০৪. NID ফটোকপি
- ০৫. আপনার পাসপোর্ট সাইজ ছবি
- ০৬ আপনার স্বাক্ষর
- ০৭. প্রয়োজন মতো অর্থ
- পরীক্ষা আবেদনের জন্য কমপক্ষে বয়স ২১ বছর।
নোট: মেরিনের প্রতিটি সার্টিফিকেট অর্জনের পেছনে সময়ের সাথে অনেক অর্থ ব্যয় হয়। তাই আপনার আর্থিক চিন্তাটাও মাথায় রাখতে হবে। তার সাথে ছুটির বিষয়ও জরুরি।

মেডিকেল ফিটনেস
বর্তমানে মেডিকেল কে ও গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। আগে কোর্স করার পর ডিজি শিপিং পরীক্ষা দিতে গিয়ে অনেক চোখে কালার ব্লাইন্ড এর জন্য তাদের সার্টিফেকেট ঝুলে থাকতো। এতে তার আগে সময় আর অর্থ ব্যয় কোনো কাজে আসতো না। এখন নতুন নিয়মে কোর্স করার সময় ই আপনার চক্ষু পরীক্ষা করবে একাডেমি থেকে। চোখে সমস্যা থাকলে চশমা সাজেষ্ট করবে আর ক্লালার ব্লাইন্ড হলে আর কোর্স করতে দেওয়া হবে না। আপনার নাবিক জীবনে সার্টিফিকেট অর্জন এর রথে এখানেই ইস্থেফা দিতে হবে। উল্লেখ্য চোখে কম দেখা সমস্যা হলে চশমা দিয়ে পরীক্ষা দেওয়া যায় কোনো সমস্যা হয় না। তার জন্য আপনাকে ভালো চক্ষু ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চশমা নিয়ে ও প্রেসক্রিপশন নিয়ে যেতে হবে চক্ষু পরীক্ষার দিন।
কোর্স শুরু করার ধাপ সমূহ
আপনি উপরের কাগজ গুলো জোগাড় করার পর এবার পালা কোর্সে ভর্তি হওয়ার। এখানে আপনাকে ০১ মাসের একটি প্রস্তুতি মূলক কোর্স করতে হবে। বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এই কোর্স করায়। সরকার একটি বেসরসারি প্রতিষ্ঠান মাস মেরিন একাডেমি কে অনুমোদন দিয়েছিলো তবে শিক্ষার্থী সংকটে সেটি এখন বন্ধ আছে। সরকারি তিন প্রতিষ্ঠান হলো:
- ০১. ডেক ও ইঞ্জিন কর্মী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (ডিইপিটিসি), বন্দর, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা
- ০২ ডেক ও ইঞ্জিন কর্মী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বান্দ রোড, বরিশাল।
- ০৩. মাদারীপুর শিপ পার্সোনেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এসপিটিআই), কুমারেটেক, মাদারিপুর।
উপরোক্ত কাগজপত্র নিয়ে আপনি এই প্রতিষ্ঠান গুলোতে গেলে তারা আপনাদের মাসের জন্য ভর্তি নিয়ে নিবে। যদি যাতায়াত দূরে মনে করেন তাহলে ডিজি শিপিং এর সামনে বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকান, অথবা বন্দর, নারায়ণগঞ্জ ডিইপিটিসি’র সামনে বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকান থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের কোর্সে।
আপনি চাইলে নিজেই আবেদন করতে পাবেন নিজের কাগজপত্র দিয়ে। তাদের ওয়েবসাইটে সুন্দর করে সাজিয়ে দেওয়া আছে। শুধু সব তথ্য পূরণ করে অনলাইন ব্যাংককিং রকেট পেমেন্টে টাকা BIWTA এর বিল নাম্বার ৪২৩ এ আপনার এপ্লাইআইডি দিয়ে টাকা জমা দিলে হয়ে যাবে। এখানে তৃতীয় শ্রেনীর মাস্টার প্রতুস্তি মূলক কোর্সে ভর্তি হতে ৪২০০ টাকা সরকারি খরচ পড়বে। নিচে আবেদন লিংক দেওয়া হলো
০১. ডেক ও ইঞ্জিন কর্মী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (ডিইপিটিসি) আবেদন করুন
০২. মাদারীপুর শিপ পার্সোনেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এসপিটিআই) আবেদন করুন।
ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে ভর্তির পর
এবার আপনার ১ মাস প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে আবাসিক থেকে প্রতিদিন ক্লাস করতে হবে। বলা বাহুল্য এখন কমপক্ষে ১৮ দিন ক্লাসে উপস্থিত না থাকলে আপনাকে কোর্স সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। পরবর্তী মাসে ক্লাস করলে তবে সার্টিফিকেট পাবেন। অন্যথায় কোর্স বাতিল। এখন আপনি চাইলে ডেক ও ইঞ্জিন কর্মী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (ডিইপিটিসি) থেকে কোর্স করলে সেই প্রতিষ্ঠানে আবাসিক সুবিধা পাবেন। ৪৯০০ টাকা দিয়ে ১ মাস থাকা ও খাওয়া দিবে। এছাড়া কিন্তু উক্ত প্রতিষ্ঠানের বাহিরে অনেক থাকার খাওয়ার সুবিধা আছে সেখান ৬০০০-৭০০০ টাকা খরচ হবে।
ক্লাস ও ট্রেনিং
এই কোর্সে সাধারণত শেখানো হবে।
- ঝড়ের সংকেত
- বয়া বাতি
- নৌ চলাচল, যাত্রী পরিবহন, ফ্রি বোর্ড, বিধিমালা
- জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম, অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম বিধিমালা।
- স্থিতিশীলতা, জোয়ার ভাটা
- অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল অধ্যাদেশ ১৯৭৬
- বিপজ্জনক মালামাল পরিবহন
- নদী জ্ঞান, চার্ট, কম্পাস ও সাধারণ নাবিক বিদ্যা।
- কার্গো ওয়ার্ক ও মৌখিক পরীক্ষার প্রশ্ন সমূহ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনি যদি মো: ওবায়দুল করিম খান এর লিখা নদী সারথি বইটি মনোযোগ সহকারে আয়ত্ত করতে পারেন। তবে নিজের উপর কনফিডেন্স রাখুন আপনি তৃতীয় শ্রেণীর মাস্টার সার্টিফিকেট অর্জন করবেন। উল্লেখ্য অন্যন্য নোট ও পড়তে পারেন। নদী সারথি বই টি ট্রেনিং সেন্টারের পাশের দোকান গুলোতে পেতে পারেন।
করতে হবে সেইফটি কোর্স Basic Safety Course বেসিক ৪
১ মাসের প্রস্তুতি মূলক কোর্সের পর আপনাকে একটি সেইফটি কোর্স করতে হবে। এটা সাধারণত সামুদ্রিক বা মেরিন সেক্টরে কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ৪টি মৌলিক নিরাপত্তামূলক প্রশিক্ষণকে বোঝায়। এটি ৪ দিনের একটি কোর্স এটি ডিইপিটিসি, এসপিটিআই, ডিইপিটিসি বারিশাল শাখা সহ দেশের বেসরকারি সব মেরিন একাডেমি গুলোতে করানো হয়। চট্টগ্রামে মাস মেরিন একাডেমি ও মেরিন ফিশারিজ একাডেমি থেকে ও করতে পারবেন। এখানে কোর্স বাদব খরচ পড়বে ৪৫০০-৫০০০ টাকা। থাকা খাওয়ার খরচ ছাড়া।
কোর্সের অন্তর্ভুক্ত ৪টি বিষয় (Basic Safety Training):
১. পার্সোনাল সারভাইভাল টেকনিকস (PST): পানিতে টিকে থাকা এবং জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জামের ব্যবহার।
২. ফায়ার প্রিভেনশন এন্ড ফায়ার ফাইটিং (FPFF): আগুন প্রতিরোধ এবং আগুন নেভানোর কৌশল।
৩. এলিমেন্টারি ফার্স্ট এইড (EFA): প্রাথমিক চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞান।
৪. পার্সোনাল সেফটি এন্ড সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (PSSR): ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ।
কোর্স করতে আপনার যা যা কাগজপত্র লাগবে:
- SSC সার্টিফিকেট
- ন্যূনতম ১৮ বছর বয়স
- NID/ জাতীয় পরিচয়পত্র
- ছবি
ডকুমেন্ট প্রস্তুত করা
কোর্স শেষে পরীক্ষার জন্য নিচের কাগজগুলো লাগবে:
- NID/জন্ম সনদ
- ICN নাম্বার ( ডিজি শিপিং এর নাবিক সিরিয়াল নাম্বার) যাকে সার্ভিস বুক বলা হয়। এটাতে আপনার চাকরির তথ্য ভয়েজ রেকর্ড আপডেট করে নির্দিষ্ট সার্ভেয়ার থেকে সীল সহ স্বাক্ষর নিয়ে প্রস্তুত রাখতে হবে।
- SSC/HSC সার্টিফিকেট।
- ১ মাসের প্রেপারিটি মূলক কোর্স সার্টিফিকেট
- সেইফটি কোর্স বেসিক ৪ সার্টিফিকেট
- আপনার পাসপোর্ট সাইজ ছবি
এবার পরীক্ষার প্রসেস
উপরের সব ধাপ পেরোনোর পর এবার পালা পরীক্ষার জন্য আবেদন। সবার আগে আপনা আইসিএন নাম্বার দিলে খোলা সার্ভিস বুক আপডেট করে নিবেন। এখন এটা ছাড়া পরীক্ষা দেওয়া যায় না। জাহাজে চাকরি করার তথ্য বসিয়ে সার্ভেয়ার থেকে সিল স্বাক্ষর নিয়ে বসে পড়ুন তৃতীয় শ্রেণির মাস্টার পরীক্ষার আবেদনে। আপনি নিজে করলে আপনার সার্ভিস বুক আইডি লগিন করে সেখানে থেকে করতে পারবেন আবেদন। সার্ভিস বুক এর লাগিন করুন আর আপনি যদি এই জামেলায় যেতে না চান। তবে বিভিন্ন মেরিনার নিয়ে কাজ করে ঔ রকম কম্পিউটার দোকান থেকে তাদের কাগজ পত্র গুলো দিলে তারা আপনর আবেদন করে দিবে। এতে ১৫০০-২৫০০ টাকা পযর্ন্ত নেয় কেউ কেউ। আপনি নিজে করলে ৩৫০ টাকার মধ্যে সারতে পারবেন।
লিখিত পরীক্ষা
প্রতিমাসে ডিজি শিপিং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ডিজি শিপিং বছরের আগে নতুন বছরের কোন কোন মাসে পরীক্ষা হবে তা আগেই ঠিক করে রাখে। আপনি যেই মাসে পরীক্ষা পাবেন। তারিখ অনুযাযী আবেদন করা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রবেশপ্রত্র নিয়ে আপনি নিজেও ডাউনলোড করতে পারেন। প্রয়োজনীয় সব কাগজ নিয়ে বসে পড়ুন পরীক্ষায়। সময় ২০ মিনিট। পরীক্ষার স্থান ঢাকা আগারগাও, শেরেবাংলা নগর থানার পাশে ডিজি শিপিং এর নিজস্ব ভবনে।
লিখিত পরীক্ষায় সাধারণত থাকে:
- ২০ নম্বরের MCQ
পাশ নম্বর সাধারণত 10
মৌখিক (Viva) পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলে ভাইভা দিতে হবে।
এখানে জিজ্ঞেস করা হতে পারে:
- বাস্তব জাহাজ চালানোর পরিস্থিতি
- সংকেত (Signal)
- জরুরি অবস্থায় করণীয়
- জাহাজ ক্রসিং
- অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম ইত্যাদি
চক্ষু পরীক্ষা বা EYE TEST
ভাইবাতে পাস করলে আপনি ধরেন নিতে পারেন মাষ্টার হয়ে গেছেন। কেননা আই টেস্টে কাউকে ফেল করানো হয় না। সবাই পাস করে যায়। যারা চশমা ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই চশমা ও ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন সাথে রাখবেন পরীক্ষার দিন। অন্যথায় বিপদ হতে পারে।
সার্টিফিকেট সংগ্রহ
লিখিত ও ভাইভা পাশ করলে আপনাকে “৩য় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার” সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। এরপর আপনি অফিসিয়ালি মাস্টার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। তবে আর আগে আরো একটা প্রসেস এর মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। সেটা হবে পরীক্ষার জন্য আবেদন যে কাগজপত্র গুলো দিয়েছেন সেগুলোর সব কপি আবার ডিজি শিপিং জমা দিয়ে আপনাকে একটা টোকেন নিতে হবে। সেখানে আপনার একটা নাম্বার থাকবে। যখন আপনার সার্টিফিকেট তৈরি হবে তখন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। তখন আপনার ঐ টোকেন দেখিয়ে আপনি মূল সার্টিফিকেট তুলতে পারবেন।
মোট খরচ কত লাগে
আপনাকে এই প্রসেসটা শুরু করার আগেই কিন্তু খরচের অংকটা একবার হিসেব করে নেওয়া উচিত। না হলে পরে হিমশিম খাবেন। নিচে একটা খরচে হিসেব তুলে ধরা হলো:
| খাত | আনুমানিক খরচ |
| ট্রেনিং কোর্স | ১০,০০০ –১৫০০০ টাকা |
| যাতায়াত | ৪০০০– ৫,০০০ টাকা |
| পরীক্ষা ফি | ১,০০০ – ৩,০০০ টাকা |
| মোট | ২৩০০০-২৮০০০ টাকা |
গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস
- ভালো ট্রেনিং সেন্টার বেছে নাও
- নিয়মিত ক্লাস করো
- পুরনো প্রশ্ন পড়ে প্রস্তুতি নাও
- অভিজ্ঞ নাবিকদের কাছ থেকে বাস্তব জ্ঞান নাও
- ভবিষতে ভালো চাইলে জবের চেয়ে সার্টিফিকেটে গুরুত্ব দেও।
এগুলো মেনে চললে প্রথমবারেই পাশ করার সম্ভাবনা বেশি
উপসংহার
তৃতীয় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার কোর্স হলো নাবিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিলে খুব সহজেই এই লাইসেন্স অর্জন করা সম্ভব।